মুসলমানের যৌন উন্মাদনা নিয়ন্ত্রণে ইসলামে নারীর পর্দা প্রথা

ইসলাম শব্দের অর্থ কি?

শান্তি?

যে ধর্ম মৌলবাদ, উগ্রবাদ, চরমপন্থার জন্ম দেয় সে ধর্ম কী করে শান্তির বার্তা দেয়?

যে ধর্ম ইসলাম প্রতিষ্ঠার নামে হত্যাযজ্ঞ, লুণ্ঠন ও নারীদের গণিমতের মাল হিসেবে বাজারে বিক্রি ও ভোগের সূত্রপাত করে সে ধর্ম কী করে নিরাপত্তার সংজ্ঞাকে সংজ্ঞায়িত করে?

ইসলাম ধর্মে যে স্রষ্টার (আল্লাহর) বন্দনার স্তুতি ১৪০০ বছর ধরে চলে আসছে সে আল্লাহ আসলে কে? আল্লা শব্দের অর্থ হল যৌন প্রলোভনকারী, প্ররোচনাকারী। অর্থাৎ যে মুসলিম আল্লাহর যৌন প্রলোভনে উন্মাদ হয়েছে, সে হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বী।

এই ইসলাম ধর্মাবলম্বী নারীদের সুরক্ষার জন্যই এসেছে পর্দা প্রথা। যা শিরোধার্য করা হয়েছে মুসলিম নারীদের জন্য। এটি ধ্রুব সত্য, ইসলাম প্রতিষ্ঠাকে উদ্দেশ্য করে যে ধরণের নৃশংসতাকে জিহাদ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে; সে পথ শুধুমাত্র প্রলুব্ধ হয়েছিল অর্থ, প্রভাব ও নারী ভোগের সম্ভোগ থেকে। জিহাদ সেখানে গৌণ।

নও মুসলিমদের জিহাদে উদ্বুদ্ধ করতে ধূর্ত মুহাম্মদ কোরআনের আয়াত নাজিল করে জিহাদের বিনিময়ে বেহেস্তে ৭২ হুরের যৌন আবেদনকে উপস্থাপনা করেন, এরপর একাধিক বিয়ে, যুদ্ধে বন্দিনী নারীদের সাথে যৌনতা সবকিছুই ইসলাম প্রচারকদের হিংস্র সত্তাকে উন্মোচিত করে। যার ফলশ্রুতিতে এই প্রলুব্ধি থেকে নবী মুহাম্মদের অনুগামীরা এতটাই উন্মাদ ছিল, একে অপরের স্ত্রী কন্যাদের ধর্ষণে লিপ্ত হতে থাকে।

এমন একটি পর্যায়ে সে অনুসারীরা তাদের স্ত্রী কন্যাদের রক্ষার্থে নবী মুহাম্মদের শরণাপন্ন হয়। তখন কথিত মুহাম্মদ বললেন, তোমরা তোমাদের স্ত্রী কন্যাদের পা থেকে মাথা পর্যন্ত ঢেকে রাখবে। তোমাদের পরিবারের একজন পুরুষ তাদের সঙ্গে থাকবে যদি তাদের কেউ বাইরে বের হয়।

এভাবেই ইসলামে নারীদের আবদ্ধ করে রাখার পর্দা প্রথার উদ্ভব, যা দ্বীন ইসলামে মুহাম্মদের অনুসারী ও তাঁর নারী উন্মাদনার বিষয়গুলোকে প্রকাশ করে।

আধুনিক এ সমাজে ধর্মের প্রভাব থাকলেও রাষ্ট্রের আইন নাগরিক অধিকারকে সুরক্ষিত করে। তাই আধুনিক এ নারীদের উচিত এসকল পর্দা প্রথার নামে নারীদের শেকলবন্দী করার এ ধরনের ধর্মান্ধ মুসলমানের উন্মাদনা থেকে বেরিয়ে এসে নিজেদের পোশাকের স্বাধীনতার জানান দেওয়া।