বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক গড়ে ওঠা মসজিদ, মাদ্রাসার মতো প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাড়ছে যৌন পীড়ন ও বলাৎকারের মতো ঘটনা। যেখানে চিত্রগুলো বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবরের শিরোনাম এবং বিস্তারিত তথ্যগুলোতে শিশু নির্যাতনের বিষয়ে ভয়ংকর উপস্থাপনা দেখা যায়।
প্রায়ই দেশজুড়ে আলোচনা-সমালোচনার জন্ম দেয় শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের এসব চালচিত্র। আশঙ্কার বিষয়, এসব সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রেই ধর্ম ও সামাজিকভাবে এক ধরনের চাপের মুখোমুখি হতে হয়। কারণ এসব ঘটনার সাথে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যুক্ত থাকে মসজিদ ও মাদ্রাসাকেন্দ্রিক ধর্মীয় ব্যক্তিবর্গ। যারা ইসলামী ধর্ষক ও বলাৎকারকারী। এ ধরনের একটি সামাজিক প্রাতিষ্ঠানিক অপরাধকেও দেখা যায় ইসলাম স্বীকৃতি দিয়ে রেখেছে। এমনকি বাংলাদেশের প্রচলিত আইন ব্যবস্থায় শিশু নির্যাতনের ব্যাপারে স্পষ্ট আইন থাকলেও মাদ্রাসাগুলোতে যে প্রতিনিয়ত ছেলে শিশু বলাৎকারের যে ইতিবৃত্ত, এর বিরুদ্ধে স্পষ্ট কোনো আইন নেই। এমনকি মুসলমানের পবিত্র ধর্ম ইসলামেও শিশু বলাৎকারের ব্যাপারে স্পষ্ট কোনো নির্দেশনা নেই।
আল্লাহর নামে কি তাহলে শিশু বলাৎকার বৈধ?
লিঙ্গপাল মুসলমানের লিঙ্গ ধর্ম ইসলাম উন্মাদনায় ভরা। কোরআন ও হাদিসের মৃত্যুর পরবর্তী ৭২ হুরের গল্প, বহু বিবাহ আর যৌন দাসীর লালায়িত ইতিহাস কোরআন তেলাওয়াতের সাথে সাথে উন্মাদনায় পরিণত করে। যৌন উন্মাদনা এদের মাথায় উঠে যায়। অধিকাংশ মুসলিম, মাদ্রাসার শিক্ষক, ইমাম, মুয়াজ্জিনসহ মাদ্রাসায় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা পেডোফিলিয়ায় আক্রান্ত। যা প্রাক-বয়ঃসন্ধিকালীন শিশুর প্রতি প্রধান বা একচেটিয়া যৌন আকর্ষণ হিসেবে অভিহিত।
আবাসিক মাদ্রাসা বা হেফজখানায় শিশুরা পরিবার থেকে দীর্ঘ সময় বিচ্ছিন্ন থাকে। যার ফলে তাদের সঠিক মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। কঠোর শারীরিক শাস্তির মধ্য দিয়ে শিশুকে বাধ্য থাকতে শেখানো হয় – এই একই কাঠামো তাকে মাদ্রাসায় ধর্মীয় আলেমদের দ্বারা সংঘটিত যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধেও প্রতিবাদহীন রাখে।
স্বয়ং নবী মুহাম্মদও পেডোফিলিয়ায় আক্রান্ত ছিলেন। ১১ স্ত্রী ও ২ যৌন দাসী থাকার পরও অন্য কন্যাশিশুদের প্রতি ছিলেন বিশেষভাবে যৌনাসক্ত। এক মায়ের কোলে বা হামাগুড়ি দেওয়া কন্যাশিশুকে দেখেও তিনি তার বড় হওয়া সাপেক্ষে বিয়ে করতে চেয়েছিলেন।
এই মানুষটিকে ইসলামিস্টরা দাবি করে সর্বকালের শ্রেষ্ঠ, সর্বযুগের আদর্শ। তার কথা ও কাজ নাকি আবার আল্লাহর কথা ও কাজ! নবী মুহাম্মদ, কোরআন, হাদিস, আল্লাহ এই যুগে অচল, অগ্রহণযোগ্য। কারণ ইসলাম এমন এক বর্বর ধর্ম যেখানে ধর্মীয় কর্তৃত্বকে কাজে লাগিয়ে নারী, শিশু সহ সামাজিকভাবে অসংখ্য অপরাধের ধর্মীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।
আজকের বাংলাদেশে ধর্ষণ, বলাৎকার বন্ধ করতে হলে এসকল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নামে যৌন নির্যাতনের ক্ষেত্রে মাদ্রাসা শিক্ষা ব্যবস্থা বন্ধে সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে। এমন একটি ব্যবস্থা টিকিয়ে রাখা ঠিক কতটা সমীচীন হতে যেখানে ধর্ষণ, বলাৎকারের পাশাপাশি শিশুদের মৌলবাদী, উগ্রবাদী ও চরমপন্থী গোষ্ঠীতে পরিণত করছে।
